২০১৯এ অনুবাদের জন্য সাহিত্য অকাদেমির অনুবাদ পুরস্কার ও ২০২২এ বীরবল উপন্যাসের জন্য সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার বিজয়ী -
বাংলা কথাসাহিত্যের এক অবিস্মরণীয় কণ্ঠস্বর।
"লেখা হলো সেই আলো, যা অন্ধকারেও পথ দেখায়।"
তপন বন্দ্যোপাধ্যায় সাড়ে চার দশকের বেশি লেখালিখির জীবনে এ পর্যন্ত প্রায় একশো পঞ্চাশটি গ্রন্থের রচয়িতা। পঞ্চাশের বেশি উপন্যাস, পঞ্চাশের বেশি রহস্য উপন্যাস, চারশোর বেশি ছোটোগল্প, কুড়িটি কিশোরগ্রন্থ, এগারোটি কবিতার বই, ভ্রমণ, গদ্য সংগ্রহ ইত্যাদি।
২০০২ সালে 'নদী মাটি অরণ্য' উপন্যাসের জন্য রাজ্য সরকারের সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার বঙ্কিমস্মৃতি পুরস্কার, ২০০৫ সালে 'মহুলবনীর সেরেঞ' চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ কাহিনিকার হিসেবে বি এফ জে এ অ্যাওয়ার্ড, ২০১৯ সালে অনুবাদের জন্য সাহিত্য অকাদেমি অ্যাওয়ার্ড, ২০২২ সালে 'বীরবল' উপন্যাসের জন্য সাহিত্য অকাদেমি অ্যাওয়ার্ড, তা ছাড়া আরও অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত।
চারবার নানা সাহিত্য প্রতিষ্ঠানের আমন্ত্রণে বাংলাদেশ যাওয়া। ২০১০ এ সাহিত্য অকাদেমির আমন্ত্রণে চিনের বেইজিং বইমেলায় দুটি বক্তৃতা, ২০১৬ সালে বাংলাদেশের টাঙ্গাইলের 'অশণি' পত্রিকার পক্ষ থেকে সোফিয়া খান পুরস্কার।
তপন বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম ৭ জুন, ১৯৪৭) বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার। তাঁর জন্ম তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) সাতক্ষীরা জেলায়। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর তাঁর পরিবার বসিরহাটের নিকটবর্তী বাদুড়িয়ায় এসে বসবাস শুরু করেন। বাদুড়িয়া লন্ডন মিশনারি সোসাইটি হাইস্কুল থেকে স্কুল ফাইনাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং পরবর্তীতে কলকাতার আশুতোষ কলেজে গণিত সাম্মানিক বিষয়ে প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হন। ১৯৭২ সালে ডব্লিউবিসিএস পরিষেবায় যোগ দেন এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিশু কিশোর আকাদেমির সচিব পদ থেকে অবসর নেন। ২০২২ সালে ঐতিহাসিক উপন্যাস 'বীরবল'-এর জন্য সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কারে ভূষিত হন।
This is the Sole Official Digital Portal of Sahitya Akademi Award-winning Bengali author, Tapan Bandyopadhyay (তপন বন্দ্যোপাধ্যায়).
All biographical data, literary catalogs, and contact channels presented on this domain are verified and directly authorized by the author.
Polarith Web Services
Lead AI & Web Developer: Priyam Kesh
Contact for Web Infrastructure: priaxom.ai@outlook.com